ছবি: – সঞ্চিতা হাজরা
কবিরুল ইসলাম
কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান:
সুদূর আরামবাগ থেকে কাটোয়ার ঐতিহ্যবাহী কাশীরাম দাস বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন বরকত মুন্সী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে শিক্ষক হিসেবে যেমন সুনাম অর্জন করেছেন, তেমনি ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা ও জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য প্রকাশ এবং সমাজের কল্যাণে নানা ইতিবাচক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁকে সকলের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত করে তুলেছে।
এমন একজন আদর্শ শিক্ষকের কন্যা যে মেধার স্বাক্ষর রাখবেন, তা যেন আবারও প্রমাণ করে দিলেন সামরিন আক্তার। সর্বভারতীয় চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষায় ৬৩১ নম্বর অর্জন করে তিনি শুধু নিজের পরিবারকেই নয়, কাটোয়া তথা সমগ্র রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।
ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়ে আসছেন সামরিন। প্রতিটি শিক্ষাজীবনের ধাপেই তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং লক্ষ্যে অবিচল থাকার ফলেই তিনি আজ এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্যে পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকা, সহপাঠী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যেও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
সামরিনের এই গৌরবময় সাফল্যের জন্য অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামরিনের এই কৃতিত্ব আগামী প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে তিনি একজন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করবেন—এমনই আশা প্রকাশ করেছে সংগঠন।
সামরিন আক্তারের এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায় এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কঠোর পরিশ্রমের ফল একদিন অবশ্যই সাফল্যে পরিণত হয়। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত কাটোয়া, গর্বিত পূর্ব বর্ধমান এবং গর্বিত সমগ্র বাংলা।
